কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন শিক্ষার প্রতিটি স্তরে গভীর প্রভাব ফেলছে। এটি আর কোনো বিমূর্ত ধারণা নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘শিক্ষা ও শেখার প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযোজন: উত্তম চর্চার অনুসন্ধান’ শীর্ষক কর্মশালার এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘এআই আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও একাডেমিক কার্যক্রম দ্রুত বদলে দিচ্ছে। এআই নির্ভর কনটেন্ট ও স্বয়ংক্রিয় উত্তরের কারণে প্রচলিত মূল্যায়ন কাঠামো নতুন করে ভাবতে হচ্ছে।’
যেমন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র তৈরি করেছে, তেমনি এর সঙ্গে উল্লেখযোগ্য ঝুঁকিও রয়েছে। যথাযথ সহযোগিতা ছাড়া কোনো একক প্রতিষ্ঠান এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবে না, যোগ করেন তিনি।
এ সময় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) মামুন আহমেদ জানান, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে আধুনিক মূল্যায়ন পদ্ধতি ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব সময় গুণগত শিক্ষায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও সহযোগিতাকে স্বাগত জানায়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ম্যানচেস্টার ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো গ্যারি মটেরাম। স্বাগত বক্তব্য দেন আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও টেসল সোসাইটি অব বাংলাদেশের সহসভাপতি মিঞা মোহাম্মদ নওশাদ কবির।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন, ইনস্টিটিউটের প্রভাষক ও টেসল সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুসরাত আরা।


