চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হককে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
রোববার ঢাকার ১৪তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। তবে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় খালাস পেলেও তার মুক্তি মিলছে না। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. লিটন মিয়া এ তথ্য জানান।
এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তার উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তাকে খালাস দেওয়া হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে, গত ১ এপ্রিল এই মামলায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ওইদিন বাদী খলিলুর রহমান আদালতকে জানান, মোজাম্মেল হকের খালাসে তার আপত্তি নেই। পরে আদালত রায়ের জন্য ৫ এপ্রিল দিন ধার্য করে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে মোজাম্মেল হক বাদী খলিলুর রহমানকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কিছু লোকজনের মাধ্যমে ধানমন্ডির অফিসে ডেকে নিয়ে নির্বাচনি খরচ বাবদ ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা পরিশোধের জন্য খলিলুর রহমানকে তিন দিনের সময় দেন, অন্যথায় তাকে গুম করার হুমকি দেন।
পরবর্তী নির্বাচনে নিজ এলাকা শরীয়তপুরে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী সমিতির কাছে নানা অভিযোগ ও হুমকি দিয়ে তার ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
আওয়ামী সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট বাদী আদালতে মামলা দায়ের করেন।
গত বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকার নিকেতন থেকে বিএম মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তখন থেকে তিনি কারাগারে আছেন।


