ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরে দু’দেশের সম্পর্কের উত্তেজনা কতটা প্রশমিত হয়েছে তা ভবিষ্যতে বোঝা যাবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
একই সঙ্গে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের করমর্দনের কোনো রাজনৈতিক তাৎপর্য দেখছেন না পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তার এই সফরকে ‘ইতিবাচক’ বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশেই নন, দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ভারত, পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিই তার প্রমাণ। তবে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর দু’দেশের মধ্যকার বর্তমান উত্তেজনা কমাতে কতটা অবদান রাখবে, তা সময়ই বলে দেবে।
সংসদ ভবনে পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের মধ্যে করমর্দন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, এটি কেবলই একটি শিষ্টাচার। এর কোনো রাজনৈতিক তাৎপর্য নেই।
প্রসঙ্গত, খালেদা জিয়ার জানাজার দিন তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন পাকিস্তান পার্লামেন্টের স্পিকার; ভারত, নেপাল, ভূটান ও শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মালদ্বীপের শিক্ষামন্ত্রী। তারা সংসদ ভবনের একটি কক্ষে অবস্থানের সময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের সঙ্গে করমর্দন করেন। এছাড়া খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর একটি বার্তা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন জয়শঙ্কর।


