লাইসেন্স বাতিল ‘বেআইনি’, আইনি লড়াইয়ে যাবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

লাইসেন্স বাতিল ‘বেআইনি’, আইনি লড়াইয়ে যাবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবী শিশির মনির। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ঢাকার মগবাজারে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলের নোটিশকে ‘বেআইনি’ দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এ নোটিশের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে তারা।

মঙ্গলবার ঢাকার হলিডে ইন হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের জন্য যে নোটিশ দিয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে।’

ঘটনার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আইনজীবী শিশির মনির জানান, প্রাথমিক তদন্তে পেশাগত অবহেলার অভিযোগে দুই নার্সকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কেউই চান না হাসপাতালটি বন্ধ হয়ে যাক। তবে এ ঘটনার জন্য যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।’

আরও পড়ুন

ওই পরিবারগুলোর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকবে। পরিবারের যোগ্য সদস্যদের চাকরির সুযোগ এবং সম্মানজনক আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায়ও দুঃখ প্রকাশ করেন শিশির মনির। তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় ক্ষমাপ্রার্থী। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

তবে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সরাসরি বক্তব্য জানতে চাইলে তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

নিজের ভূমিকা প্রসঙ্গে শিশির মনির জানান, মানবিক কারণে তিনি এ ঘটনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গভর্নিং বডির সভাপতি আব্দুর সবুর খানও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় দায়ী দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad