আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে তা ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার দাবি জানিয়েছে ‘সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’।
শুক্রবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত মহাসমাবেশে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির নেতারা।
সমাবেশে বাংলাদেশ প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাস্তবায়ন ঐক্য পরিষদের সভাপতি আবু নাসির খান বলেন, বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর বেতন পুনর্নির্ধারণের কথা রয়েছে। তবে, ২০১৫ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো হয়নি।

সমাবেশে সাত দফা দাবি জানিয়েছেন সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের নেতাকর্মীরা। সেগুলো হলো-
১:৪ অনুপাতে ১২ গ্রেডে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার ও সর্বোচ্চ এক লাখ ৪০ হাজার টাকা বেতনের নবম পে-স্কেল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট করতে হবে। সেটি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর করতে হবে।
২০১৫ সালের পে-স্কেলে বাতিল হওয়া তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বেতন জ্যেষ্ঠতা ফিরিয়ে আনা, সব স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পেনশন চালু, গ্রাচুইটির হার ৯০ থেকে বাড়িয়ে ১০০ শতাংশ করা এবং পেনশন গ্রাচুইটি এক হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
ব্লক পোস্টসহ সব পদের কর্মচারীদের নিয়মিত পদোন্নতি বা প্রতি পাঁচ বছর পর উচ্চতর গ্রেড এবং টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিতদের টেকনিক্যাল পদের মর্যাদা দিতে হবে।
বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছে বার্ষিক বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চাকরিরত কর্মচারীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বহাল রাখতে হবে।
উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্বখাতে আসা কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রকল্পে কর্মরত সময়কে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের গণনায় অন্তর্ভুক্ত না করা সংক্রান্ত ২০০৮ সালের বৈষম্যমূলক আদেশ বাতিল করতে হবে।
বর্তমান বাজারদর ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় সব ভাতা পুনর্নির্ধারণ এবং ১০-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠানের জন্য সচিবালয়ের মতো একক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে বেতন-পদ বৈষম্য দূর করতে হবে।


