পাকিস্তানের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিন চা-বিরতিতে গিয়েছিলেন ৯০ রানে অপরাজিত থেকে। দলকে মুশফিকুর রহিম এনে দিয়েছিলেন ৩৫২ রানের লিড। চা বিরতির পর ফিরে ১০ রানে দুরত্ব ঘোচাতে মুশফিক সময় নিলেন আরো ২৩ বল। ১৭৮-তম বলে কভার পয়েন্টের মাঝ দিয়ে মোহাম্মদ আব্বাসকে চার মেরে ছুঁলেন ক্যারিয়ারের ১৪-তম সেঞ্চুরি।
এতদিন ১৩ টেস্ট সেঞ্চুরি নিয়ে শীর্ষস্থান ভাগাভাগি করেছেন মুমিনুল হকের সাথে। এবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সেঞ্চুরি করে ছাড়িয়ে গেলেন তাকেও।
দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেটে এসেছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর বিদায়ের পর। এরপর লিটন দাসের সাথে গড়েছেন ১২৩ রানের জুটি, দলের লিডকে নিয়ে গেছেন ৩৫০ পেরিয়ে। ব্যক্তিগত ৬৯ রানে লিটন ফিরলেও সেঞ্চুরি ঠিকই ছুঁয়েছেন বাংলাদেশের হয়ে শতাধিক টেস্ট খেলা একমাত্র এই ক্রিকেটার। ৯ চার ও এক ছক্কায় এসেছে মুশফিকের এই মাহেন্দ্রক্ষণ।
সেঞ্চুরির আগে অবশ্য আরো একটা মাইলফলক ছুঁয়েছেন মুশফিক। একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে পেরিয়েছেন ১৬ হাজার আন্তর্জাতিক রানের কোটা। এই যাত্রায় তার সেঞ্চুরি ২২টি ও ফিফটি ৮৫টি। এর আগে ষষ্ঠ উইকেটে লিটন-মুশফিক গড়েন ১২৩ রানের জুটি। এই নিয়ে সপ্তমবার পঞ্চম অথবা এর নিচের উইকেটে জুটিতে শতরানের জুটি গড়লেন এই দুজন, তাও মাত্র ২৫ ইনিংসে। মুশফিক-লিটনের চেয়ে বেশি শতরানের জুটি আছে কেবল জো রুট ও বেন স্টোকসের, ৪৭ ইনিংসে আটটি।
লিটনের বিদায়ের পর মুশফিক-তাইজুলের ৫৯ রানের জুটিতে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ৩৭৭।


