মোহাম্মদ আব্বাসের হাফ ভলিতে দারুণ একটা কভার ড্রাইভ খেললেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বলটা বাউন্ডারি পার হতে হতেই বাংলাদেশ অধিনায়ক লাফ দিলেন হেলমেট খুলে, হাওয়াতে পাঞ্চ করলেন হাত, শেষটায় ব্যাটে এঁকে দিলেন চুমু। সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পর চিরাচরিত উদযাপন শান্তর।
শুক্রবার পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে এই বাঁহাতি ব্যাটার ছুঁলেন ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি। সব মিলিয়ে শেষ ৮ ইনিংসে এটি চার চতুর্থ সেঞ্চুরি। তার সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় সেশন শেষে প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটে ২০১ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
যদিও সেঞ্চুরির পরের বলে আব্বাসের ইনসুইংগারে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন শান্ত। অনফিল্ড কল নট আউট হলেও পাকিস্তান রিভিউ নেয়ার পর দেখা যায়, শান্তর প্যাডে লাগা বল সোজা আঘাত হানত মিডল-লেগ স্টাম্পে। বদলাতে হয় অনফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত। ১৩০ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় ১০০ রান করে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় শান্তকে।
এর আগে ৩১ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর দলের হাল ধরেন মুমিনুল হক ও শান্ত। তৃতীয় উইকেটে দুজন গড়েন ১৭০ রানের রেকর্ড জুটি। যা পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ ও সব মিলিয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ। শান্ত ফিরলেও উইকেটে আছেন ২৬তম ফিফটি ছোঁয়া মুমিনুল, চা-বিরতিতে গেছেন ৬৪ রানে অপরাজিত থেকে। চা বিরতি থেকে এসে তার সাথে ব্যাট করবেন মুশফিকুর রহিম।
এর আগে দিনের প্রথম সেশনে ২৬ ওভার শেষে ২ উইকেটে ১০১ রান তোলে বাংলাদেশ। চা-বিরতির এক ওভার আগে শান্তর উইকেট না হারালে দ্বিতীয় সেশনটাও বাংলাদেশের দখলেই থাকত। কারণ ২৭ ওভারে ১০০ রান তোলা বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় সেশনে পাকিস্তানের একমাত্র সাফল্য শান্তর উইকেট।


