মিরপুরের স্পিন ট্র্যাকে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই দলের ব্যাটারদেরই নাজেহাল অবস্থা। সাঁই সাঁই করে বল বেরিয়ে যাচ্ছে টার্ন করে, থাকছে আনইভেন বাউন্সও। তবে একজন ব্যাটারই আলাদা, রিশাদ হোসেন। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেই খেলেছেন দারুণ সব শট। প্রথম ম্যাচে ১৩ বলে ২৬*, দ্বিতীয় ম্যাচে ১৪ বলে ৩৯* রানের ইনিংস। তবুও মঙ্গলবার উইন্ডিজের বিপক্ষে সুপার ওভারে নামানো হয়নি তাকে।
২১৪ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজও করেছে ২১৩ রান। ম্যাচ হয়েছে টাই। সুপার ওভারে উইন্ডিজের দেয়া ১১ রান ছুঁতে নেমে বাংলাদেশ করতে পেরেছে মাত্র ৯ রান। ১ রানে ম্যাচ জিতে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে উইন্ডিজ। অথচ অতিরিক্ত থেকেই বাংলাদেশ পায় ৫ রান। তবুও শেষের হিসেব মিলল না। ব্যাট করেছেন সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত; যিনি নিজেই সেরা ছন্দে নেই।
তাই রিশাদের মতো একজন হিটারকে না পাঠানোতে প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি সুপার ওভারে বল করা স্পিনার আকিল হোসেন নিজেও অবাক হয়েছেন সুপার ওভারে তাকে না দেখে। সংবাদ সম্মেলনে আকিল বলেন, ‘হ্যাঁ, অবাক তো হয়েছি তাকে সুপার ওভারে না দেখে। এই ছেলেটাই সবচেয়ে বেশি বিধ্বংসী ব্যাট করেছে। ১৪ বলে ৩৯ রানের অপরাজিত ইনিংস, আর তাকেই কিনা সুপার ওভারে নেয়া হলো না। মাঠের শর্ট বাউন্ডারিতে দুটো ছক্কা মেরেছে। আমরা আসলে সবাই অবাক হয়েছে তাকে সুপার ওভারে না দেখে। যদিও দিন শেষে ব্যাপারটা আমাদের পক্ষে কাজ করেছে।’
এই ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় ফিরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগামী ২৩ অক্টোবরের শেষ ওয়ানডে তাই পরিণত হয়েছে সিরিজ নির্ধারণী


