সাভারে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে পদ পাওয়ার একদিন পরই স্ত্রী হত্যার অভিযোগ উঠেছে রনি ইসলাম নামে এক নেতার বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ঘরের বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছেন। পালিয়ে যাওয়ার আগে নিজেই পরিবারের সদস্যদের ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানাতে বলেন।
সোমবার সকালে সাভার পৌর এলাকার ছায়াবীথি মহল্লায় এবিএম শহিদুজ্জামানের বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূ রিয়া মনির (২১) মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬ মাস আগে ওই বাসাটি ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন রনি ইসলাম ও তার স্ত্রী রিয়া মনি। পেশায় টাইলস কন্ট্রাক্টর রনি ইসলাম গত ৭ জুন ঘোষিত সাভার পৌর ছাত্রদলের কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদ পান। অভিযোগ রয়েছে, পদ পাওয়ার পরদিন সকালে তিনি তার স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ ঘরের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান।
হত্যাকাণ্ডের পর রনি ইসলাম নিজেই তার পরিবারের সদস্যদের ফোন করে বিষয়টি জানান। পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেলা ১১টার দিকে তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রনি ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী বলেন, রনির পরিবারের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ঘরের ভেতরে ছিল এবং বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগানো ছিল। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


