কানাডার সাস্কাচুয়ানে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন

কানাডার সাস্কাচুয়ানে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

কানাডার সাস্কাচুয়ান প্রদেশে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব সাস্কাচুয়ানের উদ্যোগে রোস্থার্নের ভ্যালি রিজিওনাল পার্কে বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাস্কাটুন শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে মনোরম ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ বনভোজনে প্রায় ৭০০ প্রবাসী বাংলাদেশি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। দিনব্যাপী এ আয়োজন প্রবাসীদের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ছিল সুস্বাদু খাবারের পরিবেশন, শিশু ও বড়দের জন্য বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, প্রাণবন্ত আড্ডা এবং আকর্ষণীয় র‍্যাফেল ড্র। পুরো পার্কজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ, আনন্দ ও সম্প্রীতির এক অনন্য পরিবেশ, যা প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

এবারের বনভোজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গ্র্যান্ড স্পন্সর স্কাই মোটরস লিমিটেড, পপুলার গ্যারেজ ইনকরপোরেশন এবং দেশি সুপার মার্কেট-এর উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র। এতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি ডজ গ্র্যান্ড ক্যারাভান গাড়ি (আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ টাকা) জয় করেন লিপি রানী দেব। দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ৬৫ ইঞ্চি টেলিভিশন (আনুমানিক মূল্য ১ লাখ টাকা) জয় করেন সাথী চৌধুরী। তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে একটি বারবিকিউ মেশিন (আনুমানিক মূল্য ৫০ হাজার টাকা) জয় করেন হোসাইন আহমেদ টগর।

অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব সাস্কাচুয়ানের সভাপতি মো. সাইফুল আহমেদ সামু, বজলুর রহমান সুইট, কমনাশীষ দেব, সাদিকুর রহমান, হুশান আহমেদ, জিয়া উদ্দিন আহমেদ, আমরান আহমেদ ও মাহবুব আহমেদ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন গাইড মি ইমিগ্রেশন-এর স্বত্বাধিকারী শরিফুজ্জামান ও প্রিয়াঙ্কা নন্দী।

আরও পড়ুন

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব সাস্কাচুয়ানের কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

শরিফুজ্জামান ও প্রিয়াঙ্কা নন্দীর প্রাণবন্ত ও দক্ষ উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। তাদের আন্তরিকতা ও উপস্থিত বুদ্ধিদীপ্ত সঞ্চালনায় প্রতিটি পর্ব সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয় এবং উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

আয়োজকেরা জানান, প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানের শেষে আয়োজক, স্বেচ্ছাসেবী ও সকল অংশগ্রহণকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে দিনব্যাপী এ আনন্দঘন বনভোজনের সমাপ্তি ঘটে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad