রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আমার দেশের স্টাফ রিপোর্টার জাহিদুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সিলেট বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলাকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
বিষয়টি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের অন্যান্য স্থায়ী কমিটির সদস্যদের জানানো হলে তারা এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ঘটনায় বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বলেছেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক। ইতোমধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। দায়ীদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনায় সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন।
দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত পাঠানো বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম বিবৃতিতে বলেন, ‘গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা রাজনৈতিক দলের বক্তব্য, বিবৃতি ও কার্যক্রম জনগণকে অবহিত করেন। এই কারণেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক। গুলশানের কার্যালয়ে যে ঘটনা হয়েছে তা আকস্মিক ও সম্পূর্ণরুপে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্টি হয়েছে।’
জানা যায়, রোববার গুলশান কার্যালয়ে বিকালে সিলেট বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলছিল। সাক্ষাৎকার দিয়ে বের হয়ে আসার পর মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থীদের সঙ্গে সাংবাদিকরা কথা বলেন এবং ভিডিও করেন।
এ সময় গুলশান অফিসের কয়েকজন ব্যক্তি হট্রগোল করে সাংবাদিকদের বাধা দেয় ও মোবাইল ভেঙে ফেলেন, প্রেসকার্ড কেড়ে নেন এবং মারধর করে কার্যালয়ের বাইরে বের করে দেয়। এ সময় বিভিন্ন পত্রিকার বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ‘ন্যক্কারজনক’ ঘটনায় বিএনপি বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে সাংবাদিককে মেরে রক্তাক্ত করা, মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর ও আইডি কার্ড কেড়ে নেওয়া এসব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।


