শেরপুরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ড্রামট্রাকের সংঘর্ষে নারীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন।
বুধবার রাত পৌনে ৮টার দিকে শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভাতশালা ইউনিয়নের হাওড়া-আমতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নারী হলেন সূচনা বেগম (২৮)। তিনি সদরের সাপমারী এলাকার হোসাইন মিয়ার স্ত্রী। নিহত অপরজনের পরিচয় এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি। আহতরা হলেন- সদরের চান্দেরনগর এলাকার আলতাফ আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২০) ও কামারিয়া এলাকার সামিদুল হকের ছেলে আব্দুল কাদের (৪০)। আহত অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা পাঁচজন যাত্রী নিয়ে সদরের তারাকান্দি থেকে শেরপুরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় সিএনজিটি হাওড়া-আমতলা এলাকায় এলে শেরপুর থেকে নকলাগামী একটি ড্রামট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে দুমড়ে-মুচড়ে যায় সিএনজিটি এবং ঘটনাস্থলেই সূচনাসহ দুজন নিহত হন। আর গুরুতর আহত হন তিনজন। পরে আশপাশের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। এরমধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কিছু লোক মহাসড়কে ধান ও খড় শুকানো জন্য নেড়ে দেয়। যার ফলে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। কিন্তু প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার উৎপল হাসান বলেন, ‘পাঁচজন রোগীকে হাসপাতালে আনা হলে দুইজনকে মৃত এবং তিনজনকে আহত অবস্থায় পাই।’
এ বিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার বলেন, নিহত দুইজনের মধ্যে নারীর পরিচয় পাওয়া গেলেও পুরুষের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। সিএনজিটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ড্রামট্রাকচালককে ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে।


