শেষবারের মত কফিনে করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এলেন বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার। তাকে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন ভক্তকূল, নাট্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বিটিভি থেকে তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে, বাংলাদেশ গ্রপ থিয়েটার ফেডারেশনের আয়োজনে সেখানে শুরু হয় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন।
এ সময় সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী, শিল্পী, সাহিত্যিক, শিক্ষক, তার সাবেক শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ভোরে ওঠে। তৈরি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ। বিদায়ের মঞ্চে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় বাংলা সংস্কৃতির এই উজ্জ্বল নক্ষত্রকে।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, শিল্পকলা একাডেমি, পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া একাডেমি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বঙ্গরঙ্গ নাট্যদল, আবদুল্লাহ আল মামুন থিয়েটার স্কুল, গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য, আইটিআই বাংলাদেশ, প্রাচ্যনাট, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, উদীচী শিল্পগোষ্ঠী, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রসহ বহু সংগঠনের ব্যানারে শিল্পীকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহ নেওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে, যেখানে অনুষ্ঠিত হবে তার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা। এরপর মরদেহ আধা ঘণ্টার জন্য নেওয়া হবে তার প্রিয় কর্মস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। তারপর বিকালে বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে মুস্তাফা মনোয়ারকে।
এর আগে, সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহবাহী গাড়িটি বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছায়। গাড়িটি পৌঁছালে সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এরপর সকাল ৯টা ৫২ মিনিটে বিটিভি প্রাঙ্গণেই তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।


