দেশের বিভিন্ন শরিক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন।
কুশল বিনিময় পর্বের পর নেতাদের নিয়ে রাতে খাবারের টেবিলে বসেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানে আরও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, আবদুল আউয়াল মিন্টু প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বুফেতে দাঁড়িয়ে শরিক নেতাদের সঙ্গে খাবার নেন এবং তাদের সঙ্গে একটি টেবিলে বসে নৈশভোজ সম্পন্ন করেন।
এই টেবিলে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, সাম্যবাদী দলের নুরুল ইসলাম, ইসলামিক পার্টির আবুল কাসেম, কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার খন্দকার লুৎফুর রহমান, ডেমোক্রেটিক লীগের মহিউদ্দিন ক্বাদরী শওকত ও খোকন চন্দ্র দাস, বাংলাদেশ ন্যাপের শাওন সাদেকী, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বিকল্পধারা বাংলাদেশ-এর নুরুল আমিন বেপারী, গণদলের এ টি এম গোলাম মাওলা চৌধুরী, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মন্ডল, গণফোরামের মিজানুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নূর ও ফারুক হাসান, আম জনতা দলের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মিয়া মসিউজ্জামান ও তারেক রহমান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের (এমএল) সাধারণ সম্পাদক হারুন চৌধুরী, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির আমিনুল ইসলাম ও খন্দকার আহসান হাবিব, জনতার অধিকার পার্টির তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ও এম এ আর রাজা রহমান, এনডিপির একাংশের কে এস আবু তাহের ও অপর অংশের আবদুল্লাহ আল হারুন, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ, এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং রেদোয়ান আহমেদসহ ৪১টি দলের শীর্ষ নেতারা।


