অপরাধী ক্ষমতাসীন দলের হলেও ছাড় নয়: উপদেষ্টা জাহেদ

অপরাধী ক্ষমতাসীন দলের হলেও ছাড় নয়: উপদেষ্টা জাহেদ
ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
Advertisement
Advertisement

কোনো ধরনের সহিংসতা, ভাঙচুর কিংবা নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাম্প্রতি সন্ত্রাসী হামলা-দখলবাজি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি এমন কথা বলেন।

‘অপরাধ ঠেকানো এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব। তদন্ত প্রক্রিয়া মাঝপথে থেমে থাকবে না এবং এতে ক্ষমতাসীন দলের লোক বা পুলিশের অবহেলা প্রমাণিত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না,’ বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের দায়বদ্ধতা আছে, দেশের কোনো নাগরিকের অধিকার ক্ষুণ্ণ হলে, স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা কেউ আক্রমণের শিকার হলে—এমনকি আক্রান্ত ব্যক্তি অপরাধী হলেও—সরকার প্রতিটি ঘটনায় দুঃখিত ও বিব্রত বোধ করে। কারণ প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষার মূল দায়িত্ব সরকারের ওপরই বর্তায়।

রাড্ডা ক্লিনিক ও সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার বিষয়ে জাহেদ বলেন, ভাঙচুর ও অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের ধরা হচ্ছে এবং বিস্তারিত তদন্ত চলছে। তদন্তে যদি পুলিশের অবহেলা কিংবা ক্ষমতাসীন কোনো দল বা ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তবে তাদেরও নিশ্চিতভাবেই আইনের আওতায় আনা হবে। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

আরও পড়ুন

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে আমরা সহানুভূতি রেখে কথা বলি, কারণ উনি ক্ষতির শিকার হয়েছেন। কিন্তু সেই অবস্থায় তিনি যেভাবে এটা বলেছেন। বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির যেহেতু পাবলিকলি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, উনার স্ট্যাটাসটা এখনো আছে। তিনি চাঁদাবাজিকে উল্লেখ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তারা সরকারকে ব্লেম করছেন, দলকে ব্লেম করছেন।’

এমন সহিংসতার সাফাই সরকার গাইছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা ঠেকাতে পারা উচিত ছিল এবং এখন অন্তত সরকারের কাজ হবে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা। ’

‘কিন্তু সালমান মুক্তাদির পরে নিজে স্বীকার করলেন যে ব্যাপারটা আসলে ওই রকম নয় এবং শুধুমাত্র তার স্থাপনা না আরও স্থাপনাও এখানে ভাঙচুর হয়েছে। কিন্তু বিরোধী দলীয় নেতার ফেসবুকে তো ওই স্ট্যাটাসটা এখনো রয়ে গেছে’ বলেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, ‘শুধু তিনিই নন এনসিপির অনেক নেতা অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় বিএনপির প্রধান এবং এই সরকারের প্রধানকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad