পদত্যাগ করায় বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসনটি (৩২৩ মহিলা আসন-২৩) শূন্য ঘোষণা করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংসদ সচিবালয়ের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ-সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ ১ অক্টোবর পদত্যাগ করেছেন। তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৩২৩ মহিলা আসন-২৩ আসনটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১ অক্টোবর থেকেই শূন্য হয়েছে।’

এদিকে, স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আজ দুপুরে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি আমার কার্যালয়ে এসে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।’
স্পিকার জানান, তিনি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। আসনটি শূন্য ঘোষণার জন্য গেজেট প্রকাশের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে স্পিকারের সংবাদ সম্মেলনের আগেই ওই আসনটি শূন্য ঘোষণা করার গেজেটের আদেশ সাংবাদিকদের হাতে চলে আসে।
কী কারণে মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন সেটি পত্রে উল্লেখ করেছেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, ‘কোনো সংসদ সদস্য যখন পদত্যাগ করেন, তখন তিনি কোনো কারণ উল্লেখ করেন না।’
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫০টি। সংবিধান অনুসারে, জাতীয় সংসদের দলগুলো সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংখ্যার অনুপাতে নারী আসন বণ্টন করা হয়।
বিএনপির মনোনয়নে এবারের ৩৬ জন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হয়েছেন। ফেরদৌসী আহমেদ বিএনপির মনোনয়নে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত ৩০ এপ্রিল গেজেট হয়। আর ৩ মে ফেরদৌসী আহমেদসহ অন্য নারী আসনের এমপিরা শপথ নেন। এ হিসেবে প্রায় পাঁচ মাসের মধ্যে সংসদ সদস্য পদ ছাড়লেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।


