চাকরিতে নিয়োগ বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সরকার কারও প্রতি কোনো বৈষম্য করবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে জরুরী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ শিক্ষা) ক্যাডারের নিয়োগের প্রজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এ সময় পিএসসির সুপারিশ ও প্রজ্ঞাপন ইস্যুতে পত্রপত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কিছু তথ্যের বিভ্রান্তি নিরসন করে তিনি বলেন, ‘পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) থেকে ৬৬৫ জনকে সুপারিশ করা হয়েছিল (কিছু সংবাদে ৬৬৮ জনের কথা বলা হয়েছিল।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট জমা দিতে না পারায় তিনজন এবং শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষার (মেডিকেল টেস্ট) দিনে উপস্থিত না থাকায় আটজন বাদ পড়েন।
ফলে প্রজ্ঞাপনের আওতায় আসার মতো মোট প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৫৭ জন। এরইমধ্যে ৬১১ জনের নামে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বাকি রয়েছেন ৪৬ জন প্রার্থী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম প্রজ্ঞাপনে নাম না থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলের নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠনের এক সাবেক পদধারী নেতা ফেসবুকে গায়ে আগুন দেওয়ার হুমকি দিয়ে স্ট্যাটাস দেন। প্রজ্ঞাপন সবসময় এক দফায় হয় না, পর্যায়ক্রমে হয়। আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত যোগদানের সময় বাকি রয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, প্রজ্ঞাপন বাকি থাকা ৪৬ জনের বিষয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী সোমবার অবশিষ্ট ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
অপতথ্য ও অপপ্রচার চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাঙ্গনে উন্মাদনা কিংবা রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি না করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি চাকরিপ্রার্থীদের ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান।


