শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান

শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান
বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে ফেনীর ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: পিএমও
Advertisement
Advertisement

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে ফেনীর ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

কর্মসূচির একপর্যায়ে তিনি কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার বিষয়ে কথা বলেন।

বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন। ছবি: পিএমও

এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

‘স্বৈরাচার ও গুপ্ত আবার এক হয়েছে’

এরপর প্রধানমন্ত্রী বিকালে ফেনীর ফুলগাজী পাইলট হাইস্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ, ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানী এবং দরিদ্র শিক্ষার্থী ও অসহায় মানুষের সহায়তা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, ‘আজকে স্বৈরাচার ও গুপ্ত আবার এক হয়েছে। তারা মিলেমিশে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে। যারা অরাজকতা তৈরি করে, তাদের বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা কথা রেখেছি। নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম কৃষক কার্ড দেব, ফ্যামিলি কার্ড দেব। ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানী দেব। আমরা যদি এসব কাজ সফলভাবে করতে পারি, তাহলে জনগণ উপকৃত হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি। আমরা বন্ধ কলকারখানাগুলো নতুন করে চালু করতে চাই। এতে মানুষ উপকৃত হবে।’

ফেনীর ফুলগাজী পাইলট হাইস্কুল মাঠের জনসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: টাইমস

তারেক রহমান বলেন, ‘একটি দল নির্বাচনের আগে বেহেশতের টিকিট বিক্রির কথা বলত। যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা তারা কী করে দেবে? তাদের মুনাফেকি প্রকাশ হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার পর গুপ্ত বাহিনী বলেছিল, তারা যদি ফিরে আসে অসুবিধা নেই। বলবেই তো, তারা তো স্বৈরাচারের সঙ্গেই রাজনীতি করত।’

এদিন ৭ হাজার ৬৪৩ জনকে কৃষক কার্ড, ৫১০ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং ২৩৮ জন ইমাম, পুরোহিত ও সেবায়েতকে সম্মানী ভাতা দেওয়া হয়। পরে গুরুতর অসহায় ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধীদের মধ্যেও সহায়তার চেক বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, কৃষিমন্ত্রী আমীনুর রশিদ, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন এবং ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু।

এর আগে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীর মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যা-ভোগান্তি কমাতে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad