সিরিয়া সীমান্তের কাছে ২০১৩ সালের বোমা হামলার অন্যতম মূল সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এমআইটি)। ইউরোপে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে তাকে আটক করা হয়। নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় রেইহানলি অঞ্চলে ওই বছর পৃথক দুটি গাড়ি বোমা হামলায় অন্তত ৫৩ জন নিহত হন। দুই বছর আগে শুরু হওয়া সিরিয়ার সংঘাতের জেরে তুরস্কের ভূখণ্ডে ঘটে যাওয়া এযাবৎকালের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হয় এটিকে।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি থাকা আটক ব্যক্তির নাম ওমর আল-খাতিব। তিনি একজন সিরীয় নাগরিক।
ধারণা করা হয়, হামলাকারীদের সঙ্গে তৎকালীন সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের অনুগত গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সমন্বয়কের কাজ করতেন তিনি।
আনাদোলু জানায়, এমআইটি সমুদ্রপথে ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার ঠিক মুহূর্তেই আল-খাতিবকে জালে তোলে।
রেইহানলি হামলার পর তৎকালীন আসাদ সরকারের সমর্থনপুষ্ট তুরস্কের উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছিল আঙ্কারা। তবে দামেস্ক সে সময় এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে।
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে লড়াইরত বিদ্রোহীদের জোরালো সমর্থক ছিল তুরস্ক। সেই সঙ্গে সংঘাত থেকে পালিয়ে আসা লাখো সিরীয় নাগরিককে আশ্রয়ও দেয় দেশটি। পরবর্তীকালে প্রায় দুই বছর আগে আসাদ সরকারের পতন ঘটলে প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সিরিয়ার নতুন সরকারের সঙ্গে আঙ্কারা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে।


