এআইয়ের চাহিদায় এশিয়ায় চাঙা কারখানার উৎপাদন

এআইয়ের চাহিদায় এশিয়ায় চাঙা কারখানার উৎপাদন
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

সেপ্টেম্বরে এশিয়াজুড়ে কারখানা কার্যক্রম বেড়েছে। বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতের দ্রুত সম্প্রসারণ এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বেসরকারি জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বাড়তে থাকা ব্যয়চাপ নিয়ে উদ্বিগ্ন নীতিনির্ধারকদের জন্য কিছুটা স্বস্তির বার্তা মিলেছে।

জ্বালানির দাম আবার বাড়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতির পূর্বাভাসে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে রপ্তানিনির্ভর জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানে চিপ এবং এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের শক্তিশালী চাহিদায় উৎপাদন কার্যক্রম বেড়েছে।

বুধবার প্রকাশিত জরিপে দেখা যায়, চীনের কারখানা কার্যক্রমও সেপ্টেম্বরে বেড়েছে। আবহাওয়াজনিত বিঘ্ন কমে যাওয়ায় কারখানাগুলো আবার উৎপাদনে ফিরতে পেরেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় সেপ্টেম্বরে কারখানা কার্যক্রম চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। দেশটির রপ্তানি চাহিদাও সাড়ে ১৫ বছরের মধ্যে দ্রুততম গতিতে বেড়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের অর্থনীতিবিদ উসামাহ ভাট্টি বলেন, ‘নতুন কার্যাদেশ ও উৎপাদন প্রবৃদ্ধি প্রায় সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। সেমিকন্ডাক্টর ও গাড়ি খাতের সম্মিলিত শক্তির কারণে এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।’

আরও পড়ুন

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়ার পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স বা পিএমআই ৫৩ দশমিক ৯ পয়েন্টে উঠেছে। আগস্টে এটি ছিল ৫২ দশমিক ৩। মে মাসের পর এটি সর্বোচ্চ। সূচকটি টানা দশম মাস ৫০ পয়েন্টের ওপরে রয়েছে। ৫০-এর ওপরে থাকলে কারখানা কার্যক্রমের সম্প্রসারণ, আর নিচে থাকলে সংকোচন বোঝায়।

বৈশ্বিক এআই বুমের সুফল পাওয়া তাইওয়ানের পিএমআই সেপ্টেম্বরে ৫৬ দশমিক ৭ পয়েন্টে উঠেছে। আগস্টে ছিল ৫৪ দশমিক ৭।

জাপানের এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল পিএমআই সেপ্টেম্বরে ৫৪ দশমিক ১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগস্টে এটি ছিল ৫৪ দশমিক ৯। উৎপাদন ও নতুন কার্যাদেশ কমে যাওয়ায় ছয় মাসের মধ্যে দেশটিতে প্রবৃদ্ধির গতি সবচেয়ে কম ছিল।

তবে বিদেশি চাহিদা শক্তিশালী রয়েছে। এশিয়ায় জোরালো চাহিদা ও যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি বাড়ায় নতুন রপ্তানি কার্যাদেশ টানা নবম মাসে বেড়েছে।

তবে ব্যয়চাপও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। জাপানের পিএমআই জরিপে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানগুলো বিক্রয়মূল্য বাড়িয়ে চলেছে। ২০২২ সালের শেষ দিকের পর এটি অন্যতম দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির হার।

এশিয়ার অন্য দেশগুলোর কারখানা কার্যক্রমে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামে কার্যক্রম বেড়েছে। ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ায় তা সংকুচিত হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad