রাষ্ট্রদ্রোহ সংক্রান্ত দণ্ডবিধির ১২৪ (ক) ধারা সংবিধানবিরোধী ও বাতিলযোগ্য ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান এ রিট দায়ের করেন।
রিটে বলা হয়, রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়। সরকারের বিরুদ্ধে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইনটি একটি ঔপনিবেশিক আমলের আইন, যা মূলত স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছিল এবং এটি একটি গণতান্ত্রিক সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার সচিব এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক সচিব; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের আইনের এই ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো ব্যক্তি যদি লিখিত বা উচ্চারিত কথা বা উক্তি দ্বারা অথবা চিহ্ন দ্বারা অথবা দৃশ্যমান কোনো প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনোভাবে বাংলাদেশের আইনানুসারে বৈধভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সঙ্গে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে।’
সাধারণত রাষ্ট্রপক্ষই বাদী হয়ে এই মামলা করে।


