ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন চলাকালীন রংপুরে অন্তত ১০ জায়গায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এনসিপি, বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ছাড়া এ অঞ্চলের কেন্দ্র থেকে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বৃহস্পতিবার পীরগাছার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের চর তাম্বুল কেন্দ্র এলাকায় এনসিপি ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি হয়। পরে ওয়ার্ড বিএনপিরি সভাপতি তোফায়েল হোসেন ও কর্মী উৎসব সরকার লাঠি নিয়ে এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করলে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন।
এদিকে, ইটাকুমারী ইউনিয়নের দামরুচাকলা দেওয়ান সালেহ আমদ দাখিল মাদরাসা কেন্দ্রের সামে এনসিপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য শামীমের সঙ্গে জাতীয় পার্টির উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদের পুত্র মেহরাব হৃদয়ের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উত্তেজনা তৈরি হয়।
অন্যদিকে, পীরগাছার নটাবাড়ি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার নিয়ে হাতাহাতির ঘটনার ঘটে এবং রংপুর-২ আসনে মৌভাষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে বিএনপি নেতা লাজু ও পল্টনের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টার ঘটনায় জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
আবার কাউনিয়ার শহীদবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক বিএনপি কর্মীকে আটক করে সেনাবাহিনী।
রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম জানান, রংপুরে ছোটখাট বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। যেগুলো তাৎক্ষণিক কঠোরভাবে দমন করা হয়েছে।


