অক্টোবরে রংপুর বিভাগ জিতেছে এনসিএল টি-টোয়েন্টির টানা দ্বিতীয় শিরোপা। টি-টোয়েন্টির পর এবার এনএসিএলের প্রথম শ্রেণির শিরোপাও জিতলেন আকবর আলীরা। এর মধ্য দিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ডাবল জেতার রেকর্ড গড়ল রংপুর। সব মিলিয়ে লাল বলের ঘরোয়া ক্রিকেটে এটি তাদের তৃতীয় শিরোপা।
বগুড়ার শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে খুলনা বিভাগকে তিন দিনের মধ্যে হারিয়ে দুর্দান্ত এই ঘরোয়া ডাবল জেতার পথে রংপুর আসল কাজটা করে রেখেছিল মঙ্গলবারই। তৃতীয় দিনে পাওয়া ৭ উইকেটের এই জয়ে ২০২২-২৩ মৌসুমের পর আরো একবার শিরোপা জেতার সম্ভাবনা আরো চাঙ্গা করে তোলেন আকবররা, উঠে যান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। অপেক্ষা ছিল কেবল রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে খুলনা-সিলেট ম্যাচের। সমীকরণও ছিল সহজ, সিলেট না জিতলেই চ্যাম্পিয়ন হবে রংপুর। হলোও ঠিক সেটাই। চার দিন শেষে ড্র হয়েছে খুলনা-সিলেট ম্যাচ। সিলেটের পয়েন্ট ২৮, রংপুর শেষ করেছে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে।
সিলেটের সামনে চতুর্থ ইনিংসে লক্ষ্য ছিল ৩২০ রান। শেষ দিন বড় এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৬৯ রানের মধ্যেই প্রথম চার ব্যাটারকে হারায় সিলেট। মুশফিকুর রহিমের ৫৩, আসাদউল্লাহ গালিবের ৬১* রানে ভর করে ৫ উইকেটে ১৮৭ রান পর্যন্ত যেতে পারে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। দিনের নির্ধারিত খেলা শেষ হওয়াতে ড্র’তে নিষ্পত্তি হয় ম্যাচের।
এর আগে বরিশালের ৩১২ রানের লক্ষ্যের জবাবে ব্যাট করতে নেমে জাকির হাসানের ১৩০ রানের ইনিংসে ভর করে ২৮৭ রানে অল আউট হয় সিলেট। ২৫ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ইফতেখার ইফতির ১২৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ৩১৯ রানের লিড পায় বরিশাল।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ময়মনসিংহ বিভাগ ১৪৬ রানে হেরেছে রাজশাহীর কাছে। যদিও এই হেরে যাওয়া ম্যাচে নবাগত ময়মনসিংহের হয়ে ক্যারিয়ার সেরা ১৪১ রানের ইনিংসে আলো কাড়েন আবু হায়দার রনি। মূলত প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং ব্যর্থতায়ই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ময়মনসিংহ। রাজশাহীর ২১৯ রানের জবাবে ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায় তারা। বড় লিড নিয়ে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪৫ রানে থামে রাজশাহী।


