বিএনপি দেশের মানুষকে স্বাবলম্বী করতে যুবকদের তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চায় বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর আসনের ফাড়াবাড়ি স্কুল মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগে এ কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব৷
তিনি বলেন, ‘যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বিদেশে পাঠাতে চাই৷ যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে আয় করতে পারে৷ দক্ষিণাঞ্চলে প্রত্যেক ঘরে ঘরে একজন করে বিদেশে থাকে৷ বাইরে গেলে এলাকার উন্নয়ন হবে৷ তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা ছাড়াও কৃষি ভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে চায় বিএনপি। বিমানবন্দর চালু করাকে গুরুত্ব দেওয়ার আগে আমরা মানুষের আয় বাড়ানোকে গুরুত্ব দেব৷ বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশলী কলেজ করতে চাই। সবাই এক হলে কাজগুলো করা সম্ভব হবে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার নিরপেক্ষ সরকার। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবে তারা সরকার গঠন করবে। এবারে সুন্দর নির্বাচন হবে, তাই মন যাকে চাইবে তাকেই ভোট দেবেন৷ জেলার বড় বড় সড়ক,কলেজ-মাদরাসার উন্নয়ন, ভুট্টা চাষ, বরেন্দ্র টিউবওয়েল আমরা করেছি৷
এসব বিষয়ে না জেনে জামায়াত প্রার্থীকে কথা না বলার আহবান জানান তিনি৷
তিনি আরও বলেন, ‘এখন জামায়াতে ইসলামী খুব কথা বলছে। তারাই একাত্তরে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল। আমাদেরকে পালিয়ে যেতে হয়েছিল৷ আমরা চব্বিশকে যেমন ভুলবনা, একাত্তরকেও ভুলবনা৷ আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা পেয়েছি৷ যুদ্ধ করেছি একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য।’
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা ভয় করবেননা। আপনি, আমি, সবাই এদেশের নাগরিক। আপনাদের কোনো ক্ষতি হতে দেবনা৷ কেউ আপনাদের ক্ষতি করবেনা। আপনাদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আমাদের সবার৷
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বিএনপি মনোনীত এ প্রার্থী বলেন, ‘আমি আপনাদের পুরানা পরীক্ষীত মানুষ,এটা আমার শেষ নির্বাচন। এবারে নির্বাচনে জিতিয়ে আমাকে কাজ করার সুযোগ দেবেন৷ আমরা সততার সাথে কাজ আগেও করেছি ভবিষ্যতেও করব।’


