রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রয়োজন ছিল ১০ রানের, কিন্তু এক মোস্তাফিজুর রহমান বদলে দিলেন ম্যাচের চিত্র। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তার ছয় বল থেকে সাব্বির রহমান আর দারুণ এক ফিফটি করা মোহাম্মদ মিঠুন নিতে পারলেন মাত্র ৪ রান। রোববার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ১৫৫ রানের পূঁজি নিয়েও রংপুর তাই ম্যাচ জিতল ৫ রানে। ম্যাচের শেষ বলে পাওয়া এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে উঠল রংপুর। চলতি বিপিএলে টানা তৃতীয় হার ঢাকার।
রান তাড়ায় নেমে রহমানউল্লাহ গুরবাজের ২২ বলে ৩১ রানের ইনিংসে পাওয়ারপ্লেতে ভালো শুরু পেলেও মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় থমকে যায় ঢাকা। সাইফ হাসান খেলেছেন ২৪ বলে ১৫ রানের ইনিংস। বিশ্বকাপের আগে তার এই ব্যাটিং এপ্রোচ প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে নির্বাচক প্যানেলের দিকে। অবশ্য টপ আর মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে ঝড়ো ফিফটি করেছেন ঢাকা অধিনায়ক মিঠুন। ৬ চার ও এক ছক্কায় ৩৮ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থাকলেও অবশ্য দলকে ম্যাচ জেতাতে পারেনি।
ঢাকার ৫ রানের দুরত্বে থেমে যাওয়ার নেপথ্যে আছেন মোস্তাফিজ। নিজের শেষ দুই ওভারে দিয়েছেন মাত্র ৬ রান। শিশির ভেজা মাঠে এই বাঁহাতি পেসারের প্রভাব কতখানি ছিল, ঢাকার ব্যাটিং ইনিংসের শেষ তিনটি ওভারের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। শেষ ১৮ বলে ঢাকার জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৫ রান। সেই ওভারে মাত্র দুই রান খরচা করে শেষ বলে মোস্তাফিজ তুলে নেন শামিম হোসেনের উইকেট। সেখানেই মূলত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ঢাকা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৫০ রানে থামে তারা।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে দলীয় ১৮ রানে সাইফউদ্দিনের বলে ক্যাচ দিইয়ে ফেরেন কাইল মায়ার্স। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে আফগান পেসার জিয়াউর রহমানের জোড়া আঘাতে টানা দুই বলে আউট হন লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়। এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ফিফটির সাথে খুশদিল শাহর ৩১* রানের ঝড়ো ইনিংসে লড়াইয়ের সংগ্রহ পায় রংপুর। অবশ্য চতুর্থ উইকেটে ডাভিড মালানের সাথে মাহমুদউল্লাহর ৭৪ রানের জুটিও এসেছে এক্স ফ্যাক্টর হয়ে।


