যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের পর্দা নেমেছে। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আর্থিক পুরস্কারেও ছিল বড় অঙ্কের অর্থ। চ্যাম্পিয়ন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধাপে বিদায় নেওয়া দলগুলো পেয়েছে মোটা অঙ্কের প্রাইজমানি।
বিশ্বকাপ শুরুর প্রায় দুই মাস আগে ফিফা প্রাইজমানি ১৫ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া কোনো দল যেন আর্থিক ক্ষতির মুখে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই বাড়ানো হয় অর্থের পরিমাণ।
সব মিলিয়ে দলগুলোর জন্য মোট প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয় ৮৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩.১২ টাকা হিসাবে)।
ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে স্পেন। শিরোপার সঙ্গে সবচেয়ে বড় আর্থিক পুরস্কারও পেয়েছে তারা। চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাবে ৫ কোটি ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা।

রানার্সআপ আর্জেন্টিনার ঘরে যাচ্ছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থান অর্জন করা ইংল্যান্ড পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার বা প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা। চতুর্থ হওয়া ফ্রান্সের প্রাইজমানি ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা।
বিশ্বকাপের প্রাইজমানি
চ্যাম্পিয়ন স্পেন: ৫ কোটি ডলার (প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা)
রানার্সআপ আর্জেন্টিনা: ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা)
তৃতীয় ইংল্যান্ড: ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা)
চতুর্থ ফ্রান্স: ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা)
কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বাদ পড়া দল: ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ২৩৩ কোটি টাকা)
শেষ ষোলো থেকে বাদ পড়া দল: ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার (প্রায় ১৮৪ কোটি টাকা)
শেষ ৩২ থেকে বাদ পড়া দল: ১ কোটি ১০ লাখ ডলার (প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা)
গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দল: ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ১১০ কোটি টাকা)
এ ছাড়া বিশ্বকাপের শুরুতেই অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলকে প্রস্তুতি, যাতায়াত, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচের জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার করে দিয়েছিল ফিফা।
৪৮ দলের বৃহত্তম এই বিশ্বকাপে আর্থিক পুরস্কারের দিক থেকে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে।


