ঢাকার তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মোসাব্বির হত্যা মামলার আসামি মো. বিল্লালকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে বিল্লালকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তিনি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক সাক্ষ্য দিতে সম্মতি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
তবে শেষ পর্যায়ে আসামি সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে ঢাকা মেট্রোপরিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল্লাহ পিয়াস তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঢাকার প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আরিফ টাইমস অব বাংলাদেশকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আসামি প্রথমে সাক্ষ্য দিতে চাইলেও পরে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ১১ জানুয়ারি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার পূর্ব নাখালপাড়া এলাকা থেকে বিল্লালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। রিমান্ড শেষে ১৯ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের মতো গত ৭ জানুয়ারি আজিজুর রহমান মোসাব্বির বন্ধুদের সঙ্গে পশ্চিম তেজতুরি বাজার এলাকায় আড্ডা দেন। আড্ডা শেষে রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে বাসা উদ্দেশে রওনা দেন। ১০ মিনিট পর তেজতুরি বাজারের আহসানউল্লাহ ইনস্টিটিউটের সামনে গতিরোধ করে অজ্ঞাত চার থেকে পাঁচজন তাকে গুলি করে।
আসামিদের গুলিতে মোসাব্বির মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে থাকা সুফিয়ান বেপারী মাসুদ তাকে বাঁচাতে এলে আসামিরা মাসুদকেও গুলি করে। পরে আসামিরা পালিয়ে গেলে আশপাশের লোকজন তাদের হাসপাতালে নেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন। মাসুদকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ওই ঘটনায় গত ৭ জানুয়ারি মুসাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৪২) তেজগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।


