নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহকারী কোচ নিয়াজ-উল-ইসলাম। সম্প্রতি স্থানীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের হয়ে কাজ করার কথা। কিন্তু পরবর্তীতে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) সূত্রে জানা যায়, এই নামের কেউই কখনো এসিবির হয়ে কাজ করেননি। এরপরই নড়েচড়ে বসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বুধবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জানান, বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট অ্যালেক্স মার্শালের ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে নিয়াজের বিষয়ে। নোয়াখালীর এই সহকারী কোচ বিপিএলের গত আসরে ঢাকা ক্যাপিটালসের স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নিয়াজের ওপর তদন্ত হচ্ছে, তা জানিয়ে মিঠু বলেন, ‘আপনারা জানেন যে আমাদের একটা স্বতন্ত্র কমিটি আছে, হেডেড বাই অ্যালেক্স মার্শাল এবং আমাদের নতুন যারা জয়েন করেছে। হয়তো আপনাদের সামনে আসেনি কিন্তু এখানে এরকম হয়েছে যে আমাদের এখান থেকে বিভিন্ন দলের কাছে ইনস্ট্রাকশন গেছে, সন্দেহভাজনরা দলের সাথে থাকতে পারবেন না। আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।’
বিপিএলের স্বচ্ছ্বতা নিশ্চিত করতে বিসিবি এবার বদ্ধ পরিকর। সব কিছু মিলিয়ে যেকোনো নিয়ম বহির্ভূত ইস্যুতে তারা জিরো টলারেন্স দেখাবেন বলেও নিশ্চিত করেছেন মিঠু। বিসিবির এই পরিচালক বলেন, ‘যেকোনো ইস্যুই কিন্তু আমরা সিরিয়াসলি নিচ্ছি। সিরিয়াসলি নেওয়া হচ্ছে বলেই আমরা যে দুটো জিনিসে অনড়। প্লেয়ার পেমেন্ট দিতেই হবে আর দ্বিতীয়টা ইন্টেগ্রিটি ঠিক রাখা । এই দুইটা হচ্ছে মেইন। আর থার্ড হচ্ছে যাতে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি। সো এই তিনটার থেকে আমরা কিন্তু মুভ করছি না। এটলিস্ট গভার্নিং কাউন্সিল মেম্বার সেক্রেটারি হিসেবে আমি বলতে পারি আমরা কিন্তু এখানে জিরো ক মানে জিরো জিরো জিরো টলারেন্স।’


