জুলাই জাদুঘর দ্রুত জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার এবং জুলাই ফাউন্ডেশনকে কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার রাতে সংসদ অধিবেশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও গণহত্যার বিচার’ শীর্ষক সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ ধারা অনুযায়ী জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশটি উত্থাপন করেন রংপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।
নোটিশের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জুলাই ছিল দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত ফলাফল। তাই শুধু জুলাই নয়, সেই দীর্ঘ সময়ের সব শহীদ, আহত, গুম ও নির্যাতিত ব্যক্তিদেরও রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।
ভবনের কিছু কাজ বাকি থাকলেও দ্রুত জুলাই জাদুঘর চালু করা যেতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই ফাউন্ডেশনকে কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
যদি সত্যিই কর্মকর্তারা কয়েক মাস ধরে বেতন না পেয়ে থাকেন, তবে সরকারকে দ্রুত বিষয়টি সমাধান করতে হবে।
জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার বিলম্বিত হলে জাতি তা মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, বিচার যেন অবশ্যই ন্যায়বিচার হয় এবং কারও প্রতি অন্যায় না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকতে হবে।
৫ আগস্ট জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন
একই আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, জুলাই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আগামী ৫ আগস্ট জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে।
এ ছাড়া আইনমন্ত্রী আলোচনায় অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি ও বিভিন্ন মামলার রায়ের বিবরণ তুলে ধরেন।
আলোচনায় আরও অংশ নেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও জুলাই শহীদ জাবিরের মা রোকেয়া বেগম।


