নেপালে জেনারেশন জেড (জেন-জি) বিক্ষোভে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝালনাথ খানালের স্ত্রী রাজ্যলক্ষ্মী চিত্রকরের মৃত্যু হয়নি। তবে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে কীর্তিপুর বার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বৃহস্পতিবার সংশোধিত তথ্যে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
গত মঙ্গলবার প্রকাশিত খবরে তারা জানায়, জেন-জি নেতৃত্বাধীন তরুণ বিক্ষোভকারীরা কাঠমান্ডুর ডাল্লু এলাকায় ঝালনাথ খানালের বাসভবনে আগুন ধরিয়ে দেন। সে সময় ভেতরে থাকা রাজ্যলক্ষ্মী গুরুতর দগ্ধ হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান বলে জানানো হয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও ওই খবর প্রচার করে।
তবে নতুন তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যলক্ষ্মী এখনো জীবিত, যদিও তার শরীরের বেশিরভাগ অংশ দগ্ধ হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন।
দুর্নীতি ও ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিবাদে ‘জেন-জি’ আন্দোলনে নামে নেপালের ছাত্র-জনতা। একপর্যায়ে পুলিশি বাধায় তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নেয়। তিন দিনে প্রাণ হারান ৩০ জন।
এতে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে নিহতদের সহযোদ্ধারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে পদত্যাগ করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলিসহ একাধিক মন্ত্রী।
তবুও শান্ত করা যায়নি কাঠমান্ডুর পরিস্থিতি। সরকারি স্থাপনা, ঐতিহ্যবাহী সংসদ ভবনসহ দেশের প্রভাবশালী নেতাদের বাসভবনে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। এ অবস্থায় দেশটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষা ও উত্তেজিত জনগণকে শান্ত করতে নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় সেনাবাহিনী।


