মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরষ্কার পাচ্ছেন সদ্যপ্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ূন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।
খালেদা জিয়া। বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি ঘরের চৌকাঠ পেরিয়ে রাজনীতিতে এসেছিলেন ইতিহাসের ক্রান্তিকালে। এক সাধারণ গৃহবধূ থেকে তিনি রাজনীতির মাঠে পরিণত হয়েছিলেন ‘আপসহীন নেত্রী’তে।
খালেদা জিয়া ১৯৪৬ সালে দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। স্বামী স্বাধীনতার ঘোষক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আকস্মিক শাহাদাতের পর তিনি যখন রাজনীতির রণক্ষেত্রে পা রাখেন, তখন কেউ ভাবেনি এই নির্বাক শোকই একদিন পুরো জাতির কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার দুই সন্তান। তাদের বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। আর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কুয়ালালামপুরের একটি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এই নেত্রী।


