বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্বের পথে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্বের পথে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে 'বাংলাদেশে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস কমাতে চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ রোডম্যাপ' শীর্ষক প্রস্তুতিমূলক সভা। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছাতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ এম এ মুহিত। তিনি বলেন, বিশ্বে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘গ্লোবাল সামিট অন আই হেলথ’-এর সহ-আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ কাজ করবে, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবে।

বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস কমাতে চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ রোডম্যাপ’ শীর্ষক প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক এ এস এম ক্বাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ওয়াতিন আলম, আর্ক ফাউন্ডেশনের পরিচালক রোমানা হক, রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট বদরুদ্দীন সাইফসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সবার জন্য মানসম্মত চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার, বেসরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাত এবং দেশি-বিদেশি উন্নয়ন অংশীদারদের সমন্বয়ে একটি ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে একটি ন্যাশনাল স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হবে এবং আগামী আগস্টের মাঝামাঝি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে স্পেক্স ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ।

আরও পড়ুন

এম এ মুহিত বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ মানুষ ছানিজনিত অন্ধত্বে ভুগছেন। তাদের দ্রুত অস্ত্রোপচার সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে চশমার অভাবে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও কর্মক্ষম মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ কারণে সব বয়সী মানুষের জন্য সহজলভ্য ও বিনামূল্যে চশমা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির ঝুঁকিও বাড়ছে। এজন্য জেলা পর্যায় পর্যন্ত দ্রুত ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং সেবা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

হেলথ ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের এই যুগান্তকারী পরিবর্তন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনন্য নজির স্থাপন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad