দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনীতিতে তাদের শক্তিশালী অবদানের ধারা অব্যাহত রেখেছে। বিদায়ী বছরে প্রতিষ্ঠানটি সরকারের কোষাগারে মোট এক হাজার ৮০৪ কোটি টাকা জমা দিয়েছে। এর মধ্যে ভ্যাট বাবদ ৮০৯ কোটি টাকা এবং ট্যাক্স বা আয়কর বাবদ ৭৯৫ কোটি টাকা প্রদান দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া স্থানীয় উন্নয়নে বন্দর কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে একত্রে ২০০ কোটি টাকা দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বন্দরের গত পাঁচ বছরের আর্থিক চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব আয়ে গড়ে ১৩.০৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। একই সময়ে রাজস্ব উদ্বৃত্তের গড় প্রবৃদ্ধির হার ১৮.৪২ শতাংশ, যা বন্দরের আর্থিক সক্ষমতারই প্রমাণ দেয়। অন্যদিকে, ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কারণে রাজস্ব ব্যয়ের গড় বৃদ্ধির হার ৭.৫৯ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়েছে। সেবার মান অক্ষুণ্ণ রেখে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে রাজস্ব ব্যয়ের এই নিম্নমুখী ধারা বজায় রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে বাস্তবায়িত বিভিন্ন সংস্কারমূলক কাজের সুফল দেশবাসী ইতিমধ্যে পেতে শুরু করেছে। বন্দরকে আরও গতিশীল, কর্মদক্ষ ও জনবান্ধব করতে কর্তৃপক্ষের এই ধারাবাহিক উন্নয়ন কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা প্রত্যাশা করেন।


