শেষ ওভারে আরো একটা বল খেলতে না পারার আক্ষেপ কিংবা আফসোস ব্রায়ান বেনেটের বোধহয় থেকেই যাবে। ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে অপরাজিত ছিলেন ৯৭* রানে। বৃহস্পতিবার তিন রানের দুরত্ব ঘুচল না তার, পেলেন না সেঞ্চুরি। শেষ দুই বলে একটা করে ছক্কা আর চারে বরং আফসোস বেড়েছে তার। বেনেটের ইনিংসে ভর করে চেন্নাইয়ের এম চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে ভারতের দেয়া ২৫৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে থেমেছে ৬ উইকেটে ১৮৪ রানে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় যুগ্ম সর্বোচ্চ সংগ্রহ গড়ার ম্যাচে ভারত জয় পেয়েছে ৭২ রানে। এই জয়ে ফিরেছে স্বস্তি, নেট রান রেট -৩.৮০ থেকে বেড়ে হয়েছে -০.১০। এখনো টিকে আছে সূর্যকুমার যাদবদের সেমিফাইনালের আশা। তাদের পরের ম্যাচ নেট রান রেটে ঢের এগিয়ে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে জিততে তো হবেই, বড় জয়ে পেরিয়ে যেতে হবে নেট রান রেটের হিসেবেও।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হারের পর অনেক কিছুই বিপক্ষে ছিল ভারতের। তবে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ক্যারিবিয়ানদের হারের পর হিসেব সহজ হয়েছে তাদের। যদিও মাঠে জিম্বাবুয়েকে ছেড়ে কথা বলেনি তারা। টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি পেয়েছেন ধুঁকতে থাকা অভিষেক শর্মা, সাঞ্জু স্যামসন এনে দিয়েছেন উড়ন্ত সূচনা। ইশান কিষানের ধারাবাহিক ব্যাট, সূর্যকুমারের ১৩ বলের ঝড়, হার্দিকের ২৩ বলের বিধ্বংসী ফিফটি আর তিলক ভার্মার ১৬ বলে ৪৪* রানের ক্যামিও। রান পাহাড় গড়তে আর কী চাই।
অবশ্য এখানেই শেষ নয়। আর্শদীপ সিং করেছেন দারুণ বোলিং, নিয়েছেন তিন উইকেট। জাসপ্রিত বুমরাহ ছিলেন নিজের চেনা ছন্দেই। শিভাম দুবে অবশ্য নিজেকে হারিয়ে খুঁজেছেন এই ম্যাচে বল হাতে। তবে বেনেট আর সিকান্দার রাজা তাদের জবাব দিয়েছেন চোখে চোখ রেখে। পাহাড়সম লক্ষ্য সামনে থাকলেও গা করেননি দুজনের কেউই। সমানে পিটিয়েছেন সবাইকেই। ২১ বলে ৩১ রানের ক্যামিও খেলে রাজা আউট হলেও বেনেট ছিলেন শেষ বল পর্যন্ত। ৬ ছক্কা আর আর ৮ চারে ৫৯ বলে খেলেছেন ৯৭* রানের ইনিংস।


