রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর ও কদমতলী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, ছিনতাই ও মাদকসেবনের অভিযোগে মোট ৭৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
শনিবার পরিচালিত অভিযানে যাত্রাবাড়ী থানার সিটি পল্লী, ওয়াসা কলোনি ও কুতুবখালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন মো. রাসেল, শাহ পরান হোসেন, রুপালী সরকার, মো. খোকন, মো. ইলিয়াস হোসেন, মো. জাহিদ ইসলাম, মো. রাতুল, শান্তা, রাকিবুল হাসান শান্ত, রানা, মো. রিপন, মো. ইব্রাহিম, রাসেল, আনোয়ার, আনোয়ার হোসেন, সোহরাব হোসেন শুভ, আল রাজিব, মো. জাহিদ হাসান, মো. সাগর, মো. ইমন, মো. মকবুল সরদার, রুহুল আমিন, আলমগীর হোসেন, মো. জাহিদ, নাঈম হোসেন, ইমন হোসেন, মো. শান্ত, আসাদুল, শফিকুল ইসলাম, আরিফুল রহমান সুজন, মো. সাইকা, শাহ ইমাম ইমন, মো. সুজন, মো. মনির হোসেন, মো. আলী হোসেন, মো. হোসেন খন্দকার, মো. অমিত হাসান, জাহিদ ইসলাম, ইমরান, জুয়েল, আমির হোসেন, মো. আরিফুল ইসলাম রনি, মোহাম্মদ উল্লাহ, হাবিবুর রহমান, সাগর, মো. সামী জোনায়েদ এবং মো. সাজ্জাদ।
শ্যামপুর থানার আইজি গেট, জুরাইন কবরস্থান ও রেলগেইট এলাকায় পৃথক অভিযানে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ, মাইন উদ্দিন মিঠু, মো. আরিফ, মো. সোহাগ, মো. আকাশ, মো. দীপু, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. রুবেল হোসেন, মো. কামাল, মো. মনির বাবুর্চি, মো. সজিব, মো. হাসান, মো. সবুজ এবং মো. সুজন।
কদমতলী থানার ডিপটি গলি, পাটের বাগ, জুরাইন বউ বাজার, নামা শ্যামপুর ও মুরাদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন হৃদয়, মো. মামুন, মেহেদী হাসান রিফাত, শুভ সিকদার, শিভলু হোসেন, রাব্বি, রাব্বি, রুহুল আমিন, রহিত, ফারুক হোসেন, রাসেল, বিপ্লব, প্রান্ত, ইসমাইল হোসেন, মো. মানিক এবং রাব্বি।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


