ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে ২৩৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর মধ্যে ১০ নারীকে ১২টি আসনে মনোনীত করেছে দলটি।
সোমবার বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এ ছাড়া ফারজানা শারমিন নাটোর-১, মোছা. সাবিরা সুলতানা যশোর-২, ইসরাত সুলতানা এলেন ভুট্টু ঝালকাঠি-২, সানসিলা জেবরিন শেরপুর-১, আফরোজা খান রিতা মানিকগঞ্জ-৩, সানজিদা ইসলাম তুলি ঢাকা-১৪, শামা ওবায়েদ ইসলাম ফরিদপুর-২, মোছা. তাহসিনা রুশদির সিলেট-২ এবং নায়াব ইউসুফ আহমেদ ফরিদপুর-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
দেশে নারী প্রার্থীর সরাসরি অংশগ্রহণ ক্রমশ বাড়লেও এখনো তা কাঙ্ক্ষিত নয়। নির্বাচনী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে ৩৯ জন নারী প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন, ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ৩৬ নারীর মধ্যে আটজন, ২০০১ সালের নির্বাচনে ৩৮ জন নারীর মধ্যে ছয়জন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৫৯ জন নারীর মধ্যে ১৯ জন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে ২৯ জন নারীর মধ্যে ১৮ জন নারী সরাসরি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
২০১৮ সালের অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৬৯ জন নারী প্রার্থীর মধ্যে ২২ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের দ্বাদশ নির্বাচনে ১৯ জন নারী নির্বাচনে জয়ী হন।
এদিকে, জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন সংসদে সংরক্ষিত আসন ৫০ থেকে ১০০-তে উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো এ প্রস্তাবে নীতিগতভাবে সম্মত হলেও বিএনপির অবস্থান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন বিদ্যমান ব্যবস্থায় হবে, তবে পরবর্তী সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ১০০-তে উন্নীত করতে হবে।


