বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য প্রবর্তিত ডিজিটাল ব্যাংকিং ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছে ১২ প্রতিষ্ঠান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সূত্র জানিয়েছে, আবেদনকারীদের মধ্যে টেলিকম অপারেটর বাংলালিংক ও রবি, ফিনটেক জায়ান্ট বিকাশ, বেসরকারি শিল্পগোষ্ঠী আকিজ এবং বেশ কয়েকটি ক্ষুদ্রঋণভিত্তিক উদ্যোগও রয়েছে।
যেসব প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে সেগুলো হলো: ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, রবির বুস্ট, আমার ব্যাংক (প্রস্তাবিত), ফার্মার্স ব্যাংকের অ্যাপ ব্যাংক, বাংলালিংক ও স্কয়ার গ্রুপের যৌথ উদ্যোগ নোভা ডিজিটাল ব্যাংক, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক, উপকারি ডিজিটাল ব্যাংক, আকিজ গ্রুপের মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়ার আগে বাংলাদেশ ব্যাংক এখন প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি, মূলধনের পর্যাপ্ততা এবং সুশাসনের মানদণ্ডের ভিত্তিতে আবেদনগুলো মূল্যায়ন করবে।
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি করতে এবং দেশজুড়ে নিরাপদ, অ্যাপ-ভিত্তিক ব্যাংকিং পরিষেবা সহজলভ্য করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছরের শুরুতে ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্সিং নীতি চালু করে।
এই নীতি অনুযায়ী, প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা থাকতে হবে। ব্যাংকগুলো কোনো ফিজিক্যাল শাখা, বুথ বা এটিএম ছাড়াই তাদের প্রধান কার্যালয় থেকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালিত হবে এবং তারা কোনো প্লাস্টিক কার্ড ইস্যু করবে না।
ডিজিটাল ব্যাংকগুলো সরকারের ক্যাশলেস (নগদবিহীন) ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতি রেখে বিদ্যমান ফিনটেক ইকোসিস্টেম ব্যবহার করে ক্ষুদ্রঋণ দেবে। বিশেষ করে ব্যাংক-বহির্ভূত এবং স্বল্প-ব্যাংকিং সেবাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে এই ঋণ দেওয়া হবে।


