শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের (স্কপ) বন্দর অবরোধের ঘোষণার পর বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে সিসিটি ও এনসিটি’র দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগামী সোমবার অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা পরিষদ’ নামে একটি সংগঠন ।
শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হাসান মারুফ রুমী বলেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বড়পোল, আগ্রাবাদ ও সিম্যান্স হোস্টেল এলাকায় শান্তিপূর্ণ অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হবে। তিনি উসকানিমূলক কার্যক্রম এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান।
হাসান মারুফ রুমী বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন। সরকারের উচিত দুর্নীতি নিরীক্ষা করা, তারপর সংস্কার ও পরিচালনা নিশ্চিত করা। বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে সিসিটি ও এনসিটি হস্তান্তরের আমরা স্পষ্ট বিরোধিতা করি। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে সম্ভাব্য ৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রায় ২,০০০ কোটি টাকা দেশেই যাবে না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বন্দরের দুটি স্থাপনার চুক্তি দুরভিসন্ধিমূলক। দেশের সম্পদ বিষয়ে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। জুলাই সনদেও এ বিষয়ে উল্লেখ আছে।
সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, কিছু মানুষের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিদেশিদের হাতে দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। আমাদের তৈরি সম্পদ বিদেশিদের হাতে দেওয়া যায় না। বর্তমানে যে প্রফিট হচ্ছে তা বিদেশিরা পাবে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো কর্মচারী দুর্নীতিতে জড়িত নয়। ভুল থাকলে সংশোধনের পদ্ধতি থাকা উচিত। আমরা চাই এনসিটি ও সিসিটি বিদেশিদের হাতে না যেতে।
এর আগে শনিবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব হলে স্কপের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কনভেনশন থেকে ২৬ নভেম্বর বন্দর অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেন স্কপের যুগ্ম সমন্বয় ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার।


