সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন ২০২২ সালের ৫ আগস্ট। এরপর কেটে গেছে প্রায় চার বছর, জাতীয় দলের হয়ে চলতি বছরের ৯ জুনের আগে খেলা হয়নি কোনো ওয়ানডে। অবশেষে ডাক পেলেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দলে। মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে প্রত্যাবর্তনটাও রাঙালেন ৮৬* রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৭০ বলে খেলা এই ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে সর্বোচ্চ ২৮৪/৮ রানের সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ।
মোসাদ্দেক যখন উইকেটে আসেন, ১৪০ রানে চতুর্থ উইকেটে পড়েছে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের। সেখান থেকে তাওহিদ হৃদয়ের সাথে মোসাদ্দেক পঞ্চম উইকেটে গড়েন ৭৫ রানের জুটি। ৪৮ বলে ৪৯ রান করে সেখানে অবশ্য মোসাদ্দেকের অবদানই বেশি। ডিপিএলে টানা দুই সেঞ্চুরি করে আসা হৃদয়ের ব্যাট থেকে যদিও বড় ইনিংস আসেনি। ৫১ বলে ৩১ রান করে উইকেট দিয়েছেন জাভিয়ের বার্টলেটকে। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও ফিরেছেন ১২ বলে ৩ রান করে।
শেষের লড়াইটা একাই লড়েছেন ৪৯ বলে নিজের চতুর্থ ফিফটি ছোঁয়া মোসাদ্দেক। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন ১৬ বলে ২০ রান করা তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের শেষ বলে আউট হয়েছেন তাসকিন। যদিও এর আগে নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতেই রেখেছিলেন মোসাদ্দেক। লেগ স্পিনার অ্যাডাম জ্যাম্পাকে মেরেছেন রিভার্স সুইপে দুই চার, ইনসাইড আউট শটে মেরেছেন একটা ছক্কাও। এর আগে ইনিংসের শুরুর দিকে স্টেপ আউট করে সোজা ব্যাটে মেরেছেন দুই ছক্কা।
মোসাদ্দেকের এই প্রত্যাবর্তন রাঙানো ইনিংসের আগে ৯৬ রানের জুটিতে দারুণ এগোচ্ছিলেন জোড়া ফিফটি করা তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। নাথান এলিসের স্লোয়ারে মিড অনে বার্টলেটের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে তানজিদের ব্যাট থেকে ৭ চার ও ১ ছক্কায় আসে ৫৪ রানের ইনিংস। ম্যাট রেনশকে কভারের ওপর দিয়ে তুলে মারতে গিয়ে ৬৭ রানে উইকেট দেন শান্ত। শুরুতে ব্যর্থ হয়েছেন ওপেনার সাইফ হাসান, করেছেন ৫ রান। ৭ রান করে লিটন দাস ফিরেছেন রেনশর হাতে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে।
তিন উইকেট নেন এলিস, দুটি করে উইকেট পেয়েছেন অভিষিক্ত লিয়াম স্কট ও রেনশ।


