ঢাকায় বসেছে হচ্ছে এশিয়া প্যাসিফিক অ্যাডভান্সড নেটওয়ার্ক কনফারেন্সের ৬১তম আসর। সোমবার শুরু হওয়া গবেষণা ও শিক্ষা বিষয়ক এই নেটওয়ার্কিং সম্মেলন চলবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত।
এশিয়া প্যাসিফিক অ্যাডভান্সড নেটওয়ার্ক (এপিএএন), বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্ক (বিডিআরইএন) এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (এইচইএটি) প্রকল্প যৌথভাবে এবারের সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
যেখানে অংশ নিচ্ছেন এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের শিক্ষা ও আইসিটি খাত সংশ্লিষ্টরা। যারা আলোচনা করবেন উন্নত নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ও শিক্ষায় ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রগতি নিয়ে।
এই আয়োজনে জাতীয় গবেষণা ও শিক্ষা নেটওয়ার্ক (এনআরইএন), বিশ্ববিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আইসিটি সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরাও অংশ নিচ্ছেন। সবমিলিয়ে পাঁচদিনের এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ৩০০ থেকে ৫০০ জন।
আয়োজকরা বলছেন, এই সম্মেলনটি শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং উদ্ভাবনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের অন্যতম প্রযুক্তি সহযোগী ও সম্মেলনটির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে হুয়াওয়ে ‘ইন্টেলিজেন্ট এডুকেশন’ বিষয়ে সম্মেলনে ‘হুয়াওয়ে এপিএসি ইন্টেলিজেন্ট এডুকেশন রাউন্ডটেবিল ২০২৬’ শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করবে।
এই সেমিনারে উচ্চশিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের পাশাপাশি পাঠদান, প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও অবকাঠামোর নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে থাকবে ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক থেকে এআই–ভিত্তিক গবেষণা অবকাঠামোর রূপান্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান, গবেষণা ও পরিচালনায় এআই–এর নানামুখী সম্ভাবনা।
এছাড়া হুয়াওয়ের বুথে স্মার্ট ক্যাম্পাস ও স্মার্ট ক্লাসরুমের বিভিন্ন সল্যুশন প্রদর্শন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে স্মার্ট শিক্ষার বিকাশে সহায়ক নানা বাস্তবিক প্রয়োগ সেখানে তুলে ধরা হচ্ছে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর কেস স্টাডির মাধ্যমে হুয়াওয়ের ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক ও স্মার্ট ক্লাসরুম প্রযুক্তির সফল বাস্তবায়ন সম্পর্কেও সেখানে জানা যাবে।


