সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়ার ঘটনাকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির আইন সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল।
তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এতে পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি। অর্ডিন্যান্সটি আইনে রূপান্তরিত হয়নি, পার্লামেন্টে পাস হয়নি, তারা এখানে কাজ করবেন কীভাবে?
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তির ঘটনায় বুধবার বদরুদ্দোজা বাদল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এর আগে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয় বলে মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপনে জানায় আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ।
বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, অর্ডিন্যান্সটি আইনে রূপান্তরিত হয়নি, পার্লামেন্টে পাশ হয়নি, তারা এখানে কাজ করবেন কীভাবে? পৃথক সচিবালয়ের বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বা সেপারেশনের জন্য যে সব বিষয়ে বিএনপির বক্তব্য আছে, বিএনপি বড় স্টেকহোল্ডার।
ইতিপূর্বে যে কমিটি ছিল, সেই কমিটিতে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না। ফলে বিএনপির বক্তব্যগুলো আসেনি। ফলে বিএনপি মনে করছে, অর্ডিন্যান্সটি কমপ্রিহেনসিভ ছিল না।
তিনি আরও বলেন, এখন পার্লামেন্টে পরবর্তীতে বিএনপি এ বিষয়ে কমপ্রিহেনসিভ বিল আকারে আনবে এবং এটা পরিপূর্ণভাবে কার্যকারিতা লাভ করবে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। এ নিয়ে ভিন্ন রকম মন্তব্যেরও কারও কোনো প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
সচিবালয়ের বিলুপ্তি আদালত অবমাননার শামিল কি না এমন প্রশ্নে বিএনপির আইন সম্পাদক বলেন, আদালত অবমাননা হবে কেন। সংসদে এটা এখনো পাস হয়নি। বিএনপি তো বলেনি, এটা আর করবে না। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিল আকারে এমনভাবে আনবে, যাতে পরে এ নিয়ে আর কোনো বিতর্ক বা সমালোচনার সুযোগ না থাকে। এখানে আদালত অবমাননার কিছু নেই।


