এনসিপি বলতে কিছু নাই, যা আছে জামায়াতের শিশু সংগঠন: রাশেদ

এনসিপি বলতে কিছু নাই, যা আছে জামায়াতের শিশু সংগঠন: রাশেদ
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশে এই সময়ে এসে মূলত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বলতে কিছু নাই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন তাসনিম জারাসহ গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল চেতনার অনেকে নেতা-নেত্রী এনসিপি ছেড়েছেন। এর কারণ, এনসিপি যখন জামায়াতের সঙ্গে মিলে মিশে গিয়েছে, তখন এই সব তরুণ নেতারা এনসিপি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। বাংলাদেশে এই সময়ে এনসিপি বলতে কিছু নাই, যা আছে তা জামায়াতের শিশু সংগঠন।’

শনিবার সকালে ঝিনাইদহ সদরের মুরারীদহ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী মিয়ার দালান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্রেডিটবাজি শুরু করেছে এনসিপি। নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ আলম দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজেদেরকে গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। মাহফুজ আলম মূলত নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, ‘জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান যে মুখোশধারী ছিলেন, তা অভ্যুত্থানের পরে আমরা দেখলাম। এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, জামায়াত স্বাধীনতা বিরোধী, জামায়াত দেশের সার্বভৌমত্ব চায় না। এসব কথাবার্তা বলার পর তারাই আবার জামায়াতের পকেট বন্দি হয়েছে। এনসিপির যে সকল প্রার্থী নির্বাচন করেছে তার সকল খরচ দিয়েছে জামায়াত।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এক দফার ঘোষক কে তা উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের ডাক বা এক দফার ঘোষণা দিয়েছিলেন নাহিদ ইসলাম। আমরা সেটা স্বীকার করি। কিন্তু এই এক দফা ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল এ দেশের জনগণ।’

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সুযোগ সুবিধা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘বিরোধী দলের অনেক এমপি এখন সরকারী দলের এমপিদের সমান সুযোগ সুবিধা চাচ্ছেন। তারা তো সরকারি দলের এমপিদের মতোই সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। অসুবিধা তো নেই। তারপরও তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। দেখুন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল তখন কিন্তু বিরোধী দল কোনো সুযোগ সুবিধায় পেতো না। সেই হিসেবে বিএনপি সরকার কিন্তু বিরোধী দলকে অনেক সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে, মূল্যায়ন করছে। তারপরও জামায়াত ও এনসিপির এমপিদের অবস্থা এমন যেন, সুখে থাকতে ভূতে কিলাচ্ছে।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad