পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার চায় না ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হোক। এজন্য বন্যার আগেই জরুরি কাজ শুরু করেছি। আমি এই অঞ্চলের মানুষ। তাই এলাকার প্রতি আমার টান আছে।’
শনিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার উত্তর গেন্দার আলগা ও সুখেরবাতি নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে স্থানীয়দের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছর দেশকে ধ্বংস ও লুটপাট করা ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো এখন নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মতো ২০২৪ সালেও আমরা একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেছি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক সনদ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের পাঁচ মাসের পথচলায় প্রধানমন্ত্রী জনগণের কল্যাণে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন।
নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট ভাঙন রোধে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কুড়িগ্রামে ভাঙন রোধে ৯৩টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি বাঁধের কাজ শেষ পর্যায়ে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দুর্নীতিকে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসব, তারপর জিরো পর্যায়ে নিয়ে আসব। বস্তা ফেলবে ১০০টা আর গুনবে ২০০টা, সেই সুযোগ আর নেই। বস্তার ওজন কমানোর সুযোগ নেই। এগুলোর প্রত্যেকটি জিনিস আপনাদের টাকার। ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারের ওপর ছেড়ে দেবেন না।’
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজার রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব সালেহী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব ও শফিকুল ইসলাম বেবুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


