নোয়াখালীর বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বাহারের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তিনি বাহার উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এবং নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৬নং কাবিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
সোমবার সকালে দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে উপসহকারী পরিচালক মো. জাহেদ আলম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বাহার দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে তার অর্জিত সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন এবং আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের মালিক হয়েছেন।
এ ছাড়া তিনি ভবন নির্মাণে ১০ লাখ ৭৭ হাজার ১৩২ টাকার তথ্য গোপন করেছেন, যা দুদক আইন ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২১-২২ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত মোহাম্মদ আনোয়ারের পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ৬৭ লাখ ৭৫ হাজার ৭৯৯ টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের (বৈধ উৎস) পরিমাণ পাওয়া যায় ২৯ লাখ ৩০ হাজার ৯৭০ টাকা।
দুদকের আদালত পরিদর্শক মো. ইদ্রিস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের হিসাব মেলানোর পর ৩৮ লাখ ৪৪ হাজার ৮২৯ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ‘এই সম্পদ অভিযুক্ত অসাধু উপায়ে অর্জন করে নিজের ভোগদখলে রেখেছেন, যা দুদক আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’


