হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থা আগের থেকে উন্নত হয়েছে। তাকে যেকোনও দিন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।
সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান একথা জানান।
নুরের সার্বিক পরিস্থিতি বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নুরের নাকের হাড় ভেঙ্গে গিয়েছিল। সেখান থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়েছে। চোয়ালের হাড়ও ভেঙে গিয়েছিল। সেটা জোড়া লাগতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে। চোখের রক্ত জমাট বেধে ছিল। সেটি এখন নাই। দৃষ্টিশক্তিতেও কোনো সমস্যা নাই।’
তার মাথার আঘাত নিয়ে বেশি চিন্তায় ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথম সিটিস্ক্যানে রক্ত জমাট দেখা দিলেও তা ছিল সামান্য। পরে আর একটি সিটিস্ক্যানে তা পাওয়া যায়নি। অনেকেই বলছে, নুরুল হক নুরের মেমোরি লস হচ্ছে, তবে নিউরোসার্জারির চিকিৎসকরা বলেছেন, এমন ইনজুরিতে মেমোরি লস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’
এখন তার শরীরে জ্বর আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তার আগে থেকেই ঠান্ডাজনিত এলার্জির সমস্যা আছে। দশ দিন ধরে হাসপাতালে আছেন তিনি। এতদিন কোনও জ্বর ছিল না। এটা ভাইরাস জ্বর হতে পারে। জ্বর সেরে গেলেই তাকে ছুটি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’
গত ২৯ আগস্ট সন্ধ্যায় কাকরাইলে জাপা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
হামলার জন্য গণঅধিকার পরিষদকে দায়ী করে জাপা। অন্যদিকে, গণঅধিকার পরিষদ দাবি করছে, এতে তাদের সম্পৃক্ততা নেই।
২৯ আগস্ট বিকালে জাপা ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল করেন। এরপর দলটির নেতারা বিজয়নগর কার্যালয়ে ব্রিফিং করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করে বলে সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান অভিযোগ করেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলায় গুরুতর আহত হন দলের সভাপতি নুরুল হক নুর।


