নতুন করে ফ্যাসিবাদের ছায়া দেখতে চায় না জামায়াত: শফিকুর রহমান

নতুন করে ফ্যাসিবাদের ছায়া দেখতে চায় না জামায়াত: শফিকুর রহমান
মিরপুরের জনসভায় বক্তব্য রাখছেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। ছবি: ভিডিও থেকে
Advertisement
Advertisement

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদের ছায়া দেখতে চায় না জামায়াত। কেউ যদি নতুন রূপে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়, তাদের পরিণতি ৫ আগস্টের মতো হবে।

তিনি বলেন, যারা চাঁদাবাজিমুক্ত, দখলবাজিমুক্ত দেশ গড়তে পারবে এবং মানুষ হত্যা থেকে দেশকে রক্ষা করতে পারবে, আগামীতে তারাই দেশের নেতৃত্ব দেবে।

বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরুর প্রথম দিন বিকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫ আসনে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, যে যুবকদের হাত ধরে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে, তাদের দায়িত্ব এখনো শেষ হয়ে যায়নি। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরে যাবে না। যারা এতদিন ভোট কেড়ে নিয়েছিল, তারা ভোট ডাকাত। নতুন করে কোনো ভোট ডাকাত সৃষ্টি হতে দেবে না দেশের মানুষ। বিশেষ করে যুবকেরা ভোট ডাকাতদের বিরুদ্ধে রাজপথে থাকবে।

জামায়াত আমিরে জনসভায় উপস্থিত মানুষের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত

শফিকুর রহমান বলেন, ‘যারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে, আমরা তাদের সঙ্গী হব। যারা নিজেদের কর্মীকে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাথর মেরে হত্যা করে, গাড়ি চাপা দিয়ে মানুষ মারে, তাদের ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।’

আরও পড়ুন

আওয়ামী লীগের আমলে নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ‘ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে কেউ রক্ষা পায়নি। সেনা কর্মকর্তা, আইনজীবী থেকে শুরু করে সবাই ভুক্তভোগী। অনেক মা তার সন্তানকে এখনো খুঁজে ফেরেন। তাদের সন্তানেরা গুম হয়ে নিখোঁজ। অনেকে বেঁচে নেই। আমরা এই অবস্থায় দেশকে আর ফিরে যেতে দিতে পারি না।’

জামায়াত ইসলামসহ ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, এবার নির্বাচন ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য নয়, রাষ্ট্রীয় কাঠামো পরিবর্তনের নির্বাচন। ১০ দলীয় জোটকে নির্বাচিত করে জুলাই চেতনাকে বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশ বাঁচাতে সংস্কারের বিকল্প নেই।

জনসভায় ঢাকার মহানগরীর আসনগুলোতে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের হাতে জামায়াতের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেওয়া হয়। জনসভায় জামায়াতসহ ১০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিনভর প্রচার চালিয়েছেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad