জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ’ পালনে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রোববার (১৪ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য অবদান দীর্ঘদিন ধরে যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি। তার সাহিত্য, সংগীত ও জীবনদর্শনকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
গত ২৩ মে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় পর্যায়ে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দেন। সেই ঘোষণার আলোকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বছরব্যাপী কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিয়েছে।
সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, নজরুল বর্ষ উদ্যাপনের জন্য জাতীয় কমিটি গঠন করা হবে। এ উপলক্ষে বিশেষ প্রতীকচিহ্ন, পোস্টার ও বর্ষপঞ্জি প্রণয়নের পাশাপাশি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক সূচনা উপলক্ষে আগামী ১৮ থেকে ২০ জুন দেশের ৬৪ জেলা এবং ৭৪টি প্রত্যন্ত ও বিশেষ উপজেলায় তিন দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেট থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, নজরুল বর্ষ কেবল আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। জাতীয় কবির সাহিত্য, সংগীত ও চিন্তাধারা নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম উৎসাহিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তার সৃষ্টিকর্ম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও বিস্তৃতভাবে পরিচিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।


