বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, তারেক রহমান সহসাই দেশে ফিরবেন। সব কিছু প্রস্তুত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বেই বিএনপি আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে। আমরা বলব তারেক রহমান সহসাই ফিরবেন। তার বাড়ি, অফিস সব প্রস্তুত। এমনকি দেশে ফেরার বিষয়ে তার পরিকল্পনাগুলো তার নিজের ও দলের পক্ষ থেকে আমরা শেষ করে ফেলেছি। সুতরাং তারেক রহমান যেকোনো সময়ই দেশে ফিরবেন। যারা না আসার গুঞ্জন ছড়ায়, তারা ছড়াবেই।’
শনিবার রাজধানীর বনানীতে এক হোটেলে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
জুবাইদা রহমানের রাজনীতিতে আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি (জুবাইদা রহমান) রাজনীতিতে আসবেন কি না, সেটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি ভালো বলতে পারবেন। তবে আমরা জানি তারেক রহমান বিএনপির নেতৃত্বে আছেন। তিনি দেশে ফিরে নির্বাচনের নেতৃত্ব দেবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামীতে যদি আমরা জনগণের সমর্থন পেয়ে সরকার গঠন করতে পারি, তার নেতৃত্বেই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে, দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।’
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেন, এটা কোনো ইস্যু নয়, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তই খালেদা বিদেশ যাত্রা নিশ্চিত হবে। ডাক্তাররা সেই মোতাবেক আলাপ আলোচনা করছেন। পরিস্থিতি বুঝেই তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি নির্বাচিত সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। তাই যত তাড়াতাড়ি একটি নির্বাচিত সরকার ফিরিয়ে আনা যায়, দেশের জন্য ততই মঙ্গল। কারণ, নির্বাচিত সরকারের অনুপস্থিতিতে মানুষ সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে।
নির্বাচনে জোটের মনোনয়ন নিয়ে বিএনপির ভাবনা কী জানতে চাইলে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, নির্বাচনী জোট ও আসন নিয়ে আলাপ-আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। সংলাপ-আলাপ আলোচনা সব সময়ই গণতন্ত্রের অংশ। আলোচনা, সংলাপ চলতে হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া চলমান আছে। পুরো জাতি নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে।
নির্বাচনে হার অথবা জিত–এর মাঝামাঝি কিছু নেই। সুতরাং বিষয়টি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। দলের ভেতর ও বাইরে থেকে যাদেরকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে তিনি যাতে জিতে আসতে পারেন, দলের ভেতরে এসব বিবেচনা করা হচ্ছে, যোগ করেন তিনি।


