ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সনদপত্র যাচাই ফি ও ই-মেইল ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রতীকী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করতে যাচ্ছে একদল শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের ‘হয়রানির’ প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ব-চেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচি মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত হবে।
এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা এবং রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মেদের কাছে সোমবার দুপুরে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অর্ক বড়ুয়া বলেন, ‘উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করা এক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সুইডেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো ই-মেইল ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশাসনের ব্যাখ্যা ছিল অস্পষ্ট এবং তা শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাসীনতার ইঙ্গিত বহন করে।
অর্ক বলেন, ‘বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলে তথ্য যাচাইয়ের জন্য ই-মেইল পাঠানো হয়। কিন্তু অনেক সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব ই-মেইলের জবাব দেয় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘রেজিস্ট্রার ভবনে বিভিন্ন কাজে গিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রায় হয়রানির শিকার হন। এর প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে।’
আয়োজকদের ভাষ্য, কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ই-মেইল ও কল ধরা, জবাব দেওয়ার দক্ষতা বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন এবং সনদপত্র যাচাইয়ের ফি পুনর্বিবেচনার বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
সম্প্রতি ভেরিফিকেশন ফি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে দুই শিক্ষার্থীর বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।


