নতুন সরকারের কাছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়ে অবকাঠামো ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে নজর দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা (ডিসি)। রোববার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তাদের এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হবে।
প্রতি বছরের মতো এবারও জেলা প্রশাসকদের নিয়ে চার দিনের সম্মেলনের আয়োজন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বোরবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলন উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মুক্ত আলোচনা ও একটি ফটোসেশন হবে।
দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও এর আওতাধীন সংস্থা নিয়ে জেলা প্রশাসকদের প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হবে। এরপর থেকে শুরু হবে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক আলোচনা। একটি পর্বে জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন প্রধান বিচারপতি।
প্রতিবছর মাঠ প্রশাসনের নানা সমস্যা ও বিষয় নিয়ে সরকারের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারকদের মাঠ প্রশাসনের কার্যকর ও সেবামূলক করতে নানা প্রস্তাব তুলে ধরেন জেলা প্রশাসকরা। সেসব আলোচন সরকার শোনেন এবং এসব আলোচনার ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিরা এক হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। এগুলোর মধ্য থেকে বাছাই করে ৪৯৮টি প্রস্তাব জেলা প্রশাসক সম্মেলনে আলোচনা করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসনের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘জেলা প্রশাসকদের অনেকে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর বেড সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক গাজীপুরে একটি ইকোনোমিক জোন স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে শিল্পসম্পর্কিত কর্মকাণ্ড এক জায়গায় হয়।’
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের প্রস্তাবে জনদুর্ভোগ কমানো, ভূমি ব্যবস্থাপনা, জনসেবা ও স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব এসেছে।
এ বছর ৫৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, কার্যালয় ও সংস্থার নানা বিষয় নিয়ে ৩৪টি অধিবেশনে সরকারের মন্ত্রি ও প্রতিমন্ত্রীরা জেলা প্রশাসকদের প্রস্তাব শুনবেন এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নানা নির্দেশনা দেবেন।


